Sk Maxwell

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেন, যাদের রাজনীতিতে আদর্শ থাকেনা তাদের রাজনৈতিক দর্শন হয় প্রতিহিংসামূলক। আওয়ামীলীগ তার তারই উদাহরণ। শুধু মাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকতে প্রতিহিংসার রাজনীতির নগ্নরুপ প্রকাশ করে চলছে অবৈধ আওয়ামী সরকার।

তিনি আজ... রাজধানীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির আয়োজিত সদস্যপ্রার্থী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নাভিদ আনোয়ারের পরিচালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, বায়তুলমাল সম্পাদক আদিলুর রহমান।

শিবির সভাপতি বলেন, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে আইন আদালতকে দলীয় হাতিয়ারে পরিণত করা হয়েছে। প্রশ্নবিদ্ধ ও মদদপুষ্ট আদালতে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। যদিও দেশ বিদেশের অভিজ্ঞ আইনজীবীগন প্রহসনের বিচার ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমকে ত্রুটিপূর্ণ ঘোষনা করে তা বাতিলের দাবী জানিয়েছে। তবুও প্রত্যাখ্যাত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মো. মুজাহীদ, মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে। নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে আব্দুল কাদের মোল্লাকে। একই নাটক সাজিয়ে সরকার এখন জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মাদ কামারুজ্জামানকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে। ইতিমধ্যেই এই জঘন্ন মৃত্যুদন্ডকে প্রত্যাখ্যান করে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, এমনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা তা বন্ধের দাবি জানিয়েছে। দেশের মানুষও এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু সরকার অবৈধ ক্ষমতার লোভে কোন কিছুই তোয়াক্কা না করে হত্যা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন, ধারাবাহিক ভাবে আওয়ামী অত্যাচার ও নিপিড়ণে জনগণ এখন ধৈর্য্যের চূড়ান্ত সীমায় অবস্থান করছে। তার উপর সরকার হত্যা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখলে তাদের বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেয়া হবেনা। সরকার বা আদালত তার সঠিক অবস্থান থেকে সড়ে গেলে জনগণও অবস্থান পরিবর্তন করবে। অবিচারকে প্রতিহত করতে প্রয়োজনে সর্বাত্মক প্রতিরোধ আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আর ছাত্রজনহতা যদি আরেকবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজপথে নেমে আসে তাহলে কোন শক্তিই তাদের শেষ রক্ষা করতে পারবে না। অবিচারকারীদের অবস্থান হবে ইতিহাসের ঘৃণিত ও পরাজিত অপশক্তির কাতারে।